জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ আজ ১২ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, সকাল ১০ টায় ৩৫-৩৬, বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ‘সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক চুক্তি’ বিষয়ে জাসদের প্রস্তাব ও দুর্নীতি বিরোধী শুদ্ধি অভিযানের সমর্থনে এবং সমসাময়িক বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন দলীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সভাপতি এড. রবিউল আলম, স্থায়ী কমিটির সদস্য এড. হাবিবুর রহমান শওকত, নুরুল আখতার, সহ-সভাপতি আফরোজা হক রীনা, ফজলুর রহমান বাবুল, সফি উদ্দিন মোল্লা, শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চুন্নু, নইমুল আহসান জুয়েল, শওকত রায়হান প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য:
‘সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক চুক্তি’ প্রস্তাব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি বিরোধী শুদ্ধি অভিযানের সমর্থনে
জাসদের সংবাদ সম্মেলন
১২ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, সকাল ১০ টা, শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তন
প্রিয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী বন্ধুগণ,
আপনাদের শুভেচ্ছা ও সালাম। অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের আমন্ত্রণে এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হবার জন্য আপনাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

প্রিয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী বন্ধুগণ,
আপনারা জানেন, দেশ এক বিশেষ রাজনৈতিক পর্বে উপনীত হয়েছে। এ বিশেষ পর্ব হচ্ছে: জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ দমন, রাজনৈতিক শান্তি-স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র-সংবিধান-সমাজে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনা এবং বিস্ময়কর উন্নয়ন- সাফল্যের উপর সুশাসন-আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পর্ব। আপনারা জানেন জনগণের সমর্থনে ও সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপে দেশে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস-সহিংসতা-অন্তর্ঘাত-নাশকতা-আগুনসন্ত্রাস-অশান্তির রাজনীতি কোনঠাসা হয়েছে। দেশ শান্তি-স্থিতিশীলতা-উন্নয়ন-উৎপাদনের পথে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেশ ও জাতির অর্জিত এ অগ্রগতি-অগ্রযাত্রার সাফল্য ধ্বংস করতে উদ্যত হয়েছে দুর্নীতিবাজ-লুটেরা-ক্ষমতার অপব্যবহারকারীগোষ্ঠী। দেশে দুর্নীতি-লুটপাট-দলবাজী-দখলবাজী-ক্ষমতার অপব্যবহার, গুন্ডামী, অত্যাচার, নির্যাতন, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষনসহ সামাজিক অনাচার-অবিচার আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষ এই চিহ্নিত অপরাধী গোষ্ঠী অবৈধ পথে অর্জিত বিপুল অর্থ-সম্পদ ব্যবহার করে ‘রাজনৈতিক ক্ষমতা’, ‘প্রশাসনিক ক্ষমতা’ কিনে নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় ‘মুই কি হনুরে’ মার্কা এই অপরাধীগোষ্ঠী রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক নেতৃত্ব সরকার, প্রশাসন, আইন, কানুন, সামাজিক রীতি-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। এরা কোন কিছুরই তোয়াক্কা করছে না। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে বহুক্ষেত্রেই এই চিহ্নিত অপরাধীদের সাথে অসৎ রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও পুলিশ-প্রশাসনের অসৎ কর্মকর্তাদের অশুভ যোগসাজশে ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ গড়ে উঠেছে। ‘ক্যাসিনো ঘটনা’র সূত্র ধরে ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ এর কাজকারবারের সামান্য কিছুটা জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশ্রামহীন অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমে অর্জিত সাফল্য এই ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ উইপোকা, ইঁদুরের মত খেয়ে ফেলছে। এই ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ শেয়ারবাজার লুট, ব্যাংক লুট, কমিশন বাণিজ্য, তোলাবাজী, চাঁদাবাজীতে অবৈধভাবে অর্জিত হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। এই ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ সরকারের গায়ে কালিমালিপ্ত করছে, সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলছে।
লুটপাট ও দুর্নীতির পাশাপাশি দেশের সাধারণ জনগণ সরকারী অফিস-আদালতে-হাসপাতালে তাদের স্বীকৃত নাগরিক অধিকার ও নাগরিক সেবা পাবার বদলে অপমান-অসম্মান-হয়রানির শিকার হচ্ছে। অপরাধের শিকার সাধারণ মানুষ পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পাবার পরিবর্তে অপমান, অসম্মান, হয়রানি, বৈষম্য, বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। সাধারণ মানুষ অসহায়-বিপন্ন বোধ করছে।

বিশ বিদ্যালয়সহ শিক্ষাঙ্গনগুলোতেও রাজনৈতিক মদদপুষ্ট হয়ে প্রশাসনিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ‘অত্যাচারী ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী’ গড়ে উঠেছে। এদের অত্যাচার-নির্যাতনে বিশ^বিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের হল হোস্টেলে ভীতি ও আতংকের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। বুয়েটে পৈশাচিকভাবে ‘আবরার হত্যা’ বিশ বিদ্যালয়গুলোর ভীতি-আতংকের করুণ পরিস্থিতি উন্মোচন করেছে। অনেক বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসিসহ প্রশাসন চরমভাবে দুর্নীতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।

দেশের এ পরিস্থিতি কারো কাম্য নয়। দেশের এরকম পরিস্থিতি আমাদের দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ‘দল না দেখে-মুখ না দেখে’ আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার দাবিকে সামনে রেখে ‘সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক চুক্তির দাবি’তে দীর্ঘ কয়েকবছর যাবৎ রাজপথ ও সংসদে সোচ্চার রয়েছে। গত ৩১ জুলাই ২০১৯ দেশব্যাপী ‘সুশাসন দিবস’ পালনের মধ্য দিয়ে গত তিন মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে সুশাসনের জন্য প্রচার আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দল না দেখে-মুখ না দেখে দুর্নীতিবাজ-লুটেরা-খুনী-অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান-দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। এই অভিযানে ধরা যাবে না, ছোয়া যাবে না এমন অপরাধীরা গ্রেফতার হয়েছে, ছাড় পায়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ অভিযান চলবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ-লুটেরা-অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানকে জাসদ স্বাগতঃ ও সমর্থন জানাচ্ছে। চলমান দুর্নীতি বিরোধী এ শুদ্ধি অভিযানের সমর্থনে জাসদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকবে, রাজপথে সোচ্চার থাকবে। জাসদ আশাকরে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার এ শুদ্ধি অভিযানকে রাষ্ট্র-প্রশাসন-অর্থনীতি-সমাজের সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অভিযানে পরিণত করবেন।

জাসদ মনে করে, দুর্নীতি-লুটপাট বন্ধ করে সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে নিম্মের পদক্ষেপগুলো নেয়া জরুরি:
ক্স ‘কেউই আইনের উর্ধে না’, ‘অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেয়া হবে না’ অর্থাৎ ‘মুখ না দেখে-দল না দেখে’ শুদ্ধি অভিযান ও দুর্নীতি বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

মাঠ পর্যায়সহ সকল স্তরে পুলিশ ও জনপ্রশাসনকে সাধারণ মানুষের ন্যায় বিচার ও প্রতিকার পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার ও নাগরিক সেবা প্রদানের ব্যাপারে জন্য সংবেদনশীল করতে হবে। পুলিশসহ জনপ্রশাসনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।

অসৎ রাজনীতিক-পুলিশ ও জনপ্রশাসনের অসৎ কর্মকর্তা-দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের যোগসাজশে গড়ে উঠা ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ ধ্বংস করে দিতে হবে। মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত পুলিশ ও জনপ্রশাসনের অসৎ কর্মকর্তাদের সাথে অসৎ রাজনীতিবিদ-লুটেরাদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়ার জন্য মাঠ পর্যায় থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত পুলিশ ও জনপ্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করতে হবে। ‘অপরাধী সিন্ডিকেট’ এর কালো বিড়ালগুলোকে খাঁচায় পুরতে হবে।

দুর্নীতিবাজ-লুটপাটকারী-দলবাজ-দখলবাজ-ক্ষমতাবাজ-ক্ষমতার অপব্যবহারকারী-গুন্ডা-মাস্তান-অত্যাচারি-নির্যাতক, নারী ও শিশু নির্যাতক-ধর্ষক, মাদককারবারীসহ কোনো অপরাধীই যেন রাজনৈতিক-প্রশাসনিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ধরনে অপরাধীদের রাজনৈতিক দল বা সহযোগী সংগঠনে নেতৃত্ব-পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে।  দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের অবৈধভাবে অর্জিত সকল অর্থ-সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

বেদখলকৃত নদী-খাল-জলাভূমিসহ সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারি জমিতে স্থাপিত রাজনৈতিক দল বা অন্য কোন সংগঠনের অফিস/স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে।

বিশবিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং হল-হোস্টেল থেকে ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী বিতাড়ন ও টর্চার সেল ধ্বংস করতে হবে। গেস্টরুম ও গণরুমের নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। বিভিন্ন পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিগ্রস্থ ভিসিসহ প্রশাসনে বদল আনতে হবে।

সরকার গৃহিত ‘মেগা প্রকল্পসমূহে মেগা দুর্নীতি হচ্ছে’ বলে যে অভিযোগ উঠেছে সেগুলো নিস্পত্তি করা ও জনমনে প্রশ্নের অবসানের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। অনুরূপভাবেই ব্যাংক লুট ও শেয়ার বাজার কেলেংকারী নিয়েও জনমনে যে প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে তার অবসান করার জন্যও একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে।

দুদককে আরো শক্তিশালী করতে হবে। ন্যায়পাল নিয়োগ করতে হবে।  সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়নে, অর্থ বরাদ্দে, ব্যয়ে যেন দুর্নীতি-অপচয়ের কোনো ফাঁক-ফোকর-সুযোগ না থাকে তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে। সরকারি টেন্ডারে অংশগ্রহণসহ ব্যবসায়-বাণিজ্যকে প্রতিযোগিতামূলক করার ক্ষেত্রে সকল বাধা দূর করতে হবে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সাড়া জাগানো হত্যাকান্ড, অত্যাচার-নির্যাতন, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, লুটপাটের ঘটনাগুলোর দ্রুত বিচার ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে জনমনে আস্থা ও জনগণের মনোবলকে শক্তিশালী করতে হবে।

দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান ও সুশাসনের জন্য আন্দোলনকে সমর্থন না দিয়ে যারা ইনিয়ে বিনিয়ে নানা কথা বলে শুদ্ধি অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই ব্যস্ত তারা যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে খুশী হননি তার প্রমাণ দিচ্ছেন।

বেগম খালেদা জিয়াকে আর তারেক রহমানকে মাথার তাজ বানিয়ে রেখে দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় কথা বলার নৈতিক অধিকার বিএনপির নাই। বিএনপির উচিৎ আগে খালেদা জিয়া-তারেক রহমানকে পরিত্যাগ করা, জামাতের সঙ্গ ত্যাগ করা। তারপর রাজনীতি নিয়ে কথা বলা।

জাসদ চলমান শুদ্ধি অভিযান ও দুর্নীতি বিরোধী অভিযান সফল করে নীতি, নৈতিকতা, মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ ঘটাতে এবং রাষ্ট্র-প্রশাসন-অর্থনীতি-সমাজে সুশাসন ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সরকারসহ সকল গণতান্ত্রিক-দেশপ্রেমিক-রাজনৈতিক-সামাজিক শক্তিকে ‘সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক চুক্তি’তে উপনীতি হয়ে দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার আহ্বান জানাচ্ছে।

প্রিয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী বন্ধুগণ,
রাষ্ট্র-প্রশাসন-অর্থনীতি-সমাজের সকল স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ‘সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক চুক্তি’ প্রস্তাব এবং চলমান দুর্নীতি বিরোধী শুদ্ধি অভিযান জোরদার ও অব্যাহত রাখার দাবিতে জাসদ নিম্মের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে:

  • ১৬ অক্টোবর: দেশব্যাপী সকল জেলা-উপজেলায় গণমিছিল।
  • ২২ অক্টোবর: ঢাকায় গোলটেবিল আলোচনা।
  • ৩১ অক্টোবর: জাসদের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুর্নীতি বিরোধী সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের চেতনায় দেশব্যাপী জেলা-উপজেলায় আলোচনা সভা-সমাবেশ-পথ সভা-গণমিছিল-মশাল মিছিল।

প্রিয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী বন্ধুগণ,
আপনাদের সবাইকে আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুর্নীতির অন্ধকার অলি-গলি-অন্ধি-সন্ধি-জগতের সবখানে আলো ফেলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে
সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, দুর্নীতিবাজরা দলের কলঙ্ক। দুর্নীতিবাজদের গায়ে যে জার্সিই থাকুক না কেন তাদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে। তিনি বলেন, চিহ্নিত অপরাধী, অসৎ রাজনৈতিক নেতৃত্ব, পুলিশ-প্রশাসনের অসৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ত্রিমূখী শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। সুশাসনের জন্য আন্দোলন ও শুদ্ধি অভিযানের টার্গেটই হবে অপরাধী সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া।

সাজ্জাদ হোসেন
সহ-দফতর সম্পাদক
০১৭১২৬৩৭৪৬৫
০১৯১১৫৮৫৯৪৫